আমার সুপার হিরো

আজ ১০ ডিসেম্বর, ঠিক এই দিনে আমার বাবা আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে যান। আমার বাবা ছিলেন একজন সরকারি কর্মচারী, সে সুবাদে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় তাকে থাকতে হতো। আমরা ২ ভাই ২ বোন, আমি সবার ছোট আর সবাই পড়াশুনার সবাই থাকতো পুঠিয়াতে। এমতাত্র আমি বাবার সাথে থাকতাম। একারণেই বাবার সাথে আমার সর্ম্পক ছিলো সবচেয়ে কাছের। আমার বাবা আমার সুপার হিরো। আমি আমার বাবার মতই একজন বাবা হতে চাই, তার মতই একজন স্বামী হতে চাই। Continue reading আমার সুপার হিরো

রূম নাম্বার ৪২০ এ ছিলো আমার বসবাস

ছোট্ট একটি ঘর,
ছোট্ট একটি খাট,
ছোট্ট একটি টেবিল,
আর একটা পানির জগ

ছিলো এক চিলতে আকাশ আমার
আর সেই প্রিয় জানলা।

Continue reading রূম নাম্বার ৪২০ এ ছিলো আমার বসবাস

আমার কি ক্ষমা করার কিছু আছে?

ঢাকায় বায়তুল মুকাররমের গেটের পাশে বাচ্চাদের খেলনা বিক্রি করত একজন বৃদ্ধ। বয়স সত্তরের কোঠায়। বয়সের ভারে নুজ্হ শরীরে দৃষ্টিশক্তিও এখন বেশ ক্ষীণ। তার ক্রেতারা দোকানে কিছু কিনতে এসে তার সাথে অল্প একটু কথা বললেই তার ক্ষিণ দৃষ্টি’র বাপারটা ধরতে পারত। ফলে যা হত, অনেকেই টাকা কম দিত, অচল নোট দিত, অথবা হয়ত দিতই না।

Continue reading আমার কি ক্ষমা করার কিছু আছে?

আসেন ছোট একাট আইকিউ পরীক্ষা দেই, নিজেরে একটু যাচাই করি

এই কুইজের একটা ছোট্ট শর্ত আছে। প্রতিটি প্রশ্ন পড়ে প্রথম যে উত্তর মাথায় আসবে সেটাই দিতে হবে, কোনও রকম চুরি কিন্তু করা যাবে না মোটেই! উত্তর গুলো দিন,তারপর নিচে দেখুন ফলাফল। Continue reading আসেন ছোট একাট আইকিউ পরীক্ষা দেই, নিজেরে একটু যাচাই করি